ভিজিট করতে ক্লিক করুন!
ভিজিট করতে ক্লিক করুন!

ক্রস ফায়ার ও “টন্টন ম্যাকাউটস” বাহিনী। 
হাইতির সামরিক স্বৈরতন্ত্রের ইতিহাসে পাপা ডক দুভেলিয়ার এর পর তার পুত্র জিন ক্লাউড “বেবি ডক” এর শাসন আমলের বেদনাদায়ক ইতিহাস ছিল সেই অঞ্চলের সবচেয়ে কুখ্যাত এটি যুগ।
সেই দেশটিতে শাসনের ও রক্ষণাবেক্ষণের মূল হাতিয়ার ছিল “টন্টন ম্যাকাউটস” সংক্ষেপে ভলান্টাইরেস দে লা সিক্যুরিটি ন্যাশনাল-এমভিএসএন (জাতীয় নিরাপত্তা জন্য স্বেচ্ছাসেবক) নামে অভিহিত হয়েছিল। এই আধা সামরিক সংগঠনটি এখন আর আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যমান নয় কিন্তু জনগণের উপর তাদের বর্বরতা ও নিষ্ঠুর অত্যাচার পৃথিবীর ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায়। “পিতা ডক” ডুভালিয়ের অধীনে প্রায় ৩০ বছর কঠোর শাসনের পর তাঁর পুত্র জিন ক্লাউড “বেবি ডক” ডুয়ালিয়ার শাসন আমলের সমাপ্তি ঘটে ১৯৮৬ সালে একটি সামরিক অভ্যুত্থানে। পৃথিবীতে খুব কম সংখ্যক গণতান্ত্রিক দেশ আছে যারা তদের অঞ্চলে এই ধরনের প্যারা-মিলিটারি সংগঠনের মাধ্যমে তাদের শাসন ব্যবস্থা এতটা নিষ্ঠুর ভাবে ব্যবহার করে থাকে, যদিও এই সংগঠনটি আর আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যমান নয়, তবুও আধা সামরিক সহিংসতা এবং নিষ্ঠুর নিষ্ঠুরতা এখনো হাইতিয়ান আধুনিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কৃতির একটি করুণ ইতিহাস।
১৯৫৯ সালে রাষ্ট্রপতি হওয়ার মাত্র দুই বছর পর, “বাবা ডক” একটি বাহিনী গঠন করেছিল যা শুধুমাত্র তার কাছে রিপোর্ট করবে এবং নতুন প্রশাসনের কর্তৃত্বকে সাময়িকভাবে শত্রুদের নিরসন করার জন্য সহিংসতা ব্যবহার তাদের দমন করার সম্পূর্ণ ক্ষমতায়ন পাবে। হাইতির ইতিহাসে সবচেয়ে নিষ্ঠুর আধা-সামরিক সংগঠনের জন্ম এবং নিয়মিত সশস্ত্র বাহিনীর দ্বারা হুমকির মুখে সামরিক বাহিনী ফ্রাঙ্কোয়েস ডুয়ালিয়ার শাসনের দৃঢ়ীকরণের সাথে একাধিক কর্তৃত্ব হারাতে শুরু করে, পিতা দুভেলিয়ার পর পুত্র জিন ক্লডের পতনের ক্ষেত্রে সবচাইতে বেশী ভূমিকা রাখে সেই দেশের সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তারা। হাইতিয়ানরা এই যুদ্ধক্ষেত্রের নেতৃত্বাধীন গোয়েন্দা স্কোয়াডটির নামকরণ করেছেন “টন্টন ম্যাকাউটস” নামে যা তাদের অঞ্চলের একটি পৌরণিক গল্পের আদলে। চাচা” (টন্টন) সম্পর্কে, যারা বন্দুক যুদ্ধে (ম্যাকোটে) রাষ্ট্রের বিরুদ্ধ্যে বিরক্তিকর মানুষদের অপহরণ করে এবং শাস্তি দেয়। ফলস্বরূপ নির্যাতন, অপহরণ এবং চাঁদাবাজিতে দেশের সাধারণ জনসংখ্যার পাশাপাশি বিরোধীদলীয় সদস্য এবং ব্যবসায়ীদের বাধ্যতামূলক অর্থোপার্জনের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করতো।
অল্প শিক্ষিত লক্ষ লক্ষ হাইতিয়ানদের মনের মাঝে টুপি, নীল ডিনিম শার্ট, গাঢ় চশমা পরিহিত এই টন্টন ম্যাকাউটসের বর্বতা অবিচ্ছেদ্য-ভাবেই খোদাই করা আছে। “টন্টন ম্যাকাউটস” প্রতিষ্ঠার পর থেকে, এই নৃশংস সংগঠনটি নাগরিকত্বের যেকোনো নৈতিক বা নাগরিক অধিকার উপেক্ষা করে অবাধে কাজ করার স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, যা তার নির্বিচারে সহিংসতার মাধ্যমে মানুষের উপর চালাত অসহনীয় অত্যাচার। তথ্য সূত্র- ইন্টারনেট। (বিস্তারিত লিংকে দেয়া আছে।) 
http://www.coha.org/tonton-macoutes/?fbclid=IwAR05A09SyFzBkiZSQbDx8tak6ThIhT995qWyYErc2DZ9ifT8jw0X1b53jUQ
– মাহবুব আরিফ কিন্তু।

Please To Write An Article Sign-Up
error0
News Reporter

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *