ভিজিট করতে ক্লিক করুন!
ভিজিট করতে ক্লিক করুন!

সরকার কি জনগণকে নিরাপদ খাদ্য গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিতে পারছে, এবারও কি প্রতিবারের মতো এন্টিবায়োটিকের গোডাউন ভরপুর প্রাণীগুলোই কোরবানির হাটে শোভা পাবে?
সরকারের পক্ষে এন্টিবায়োটিক মুক্ত গোখাদ্য বা এনিমেল ফিড মুক্ত বাজার তৈরী করা সম্ভব হচ্ছে কি?
৯৩ পণ্যের পরীক্ষার ফলের প্রতিবেদন আগামী ১৬ জুনের মধ্যে দাখিল করতে বিএসটিআইর প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের প্রতি আদালত অবমাননার রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। কেন তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার কার্যক্রম শুরু করা হবে না, তা জানাতে আর বেশী দিন বাকী নেই, আগামী ১৬ জুন সশরীরে আদালতে হাজিরা দিতে যাচ্ছেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান।
আমাদের দেশে আর মাত্র কিছুদিন পরই সুরু হতে যাচ্ছে কোরবানির নামে পশু সাদৃশ্য এন্টিবায়োটিকের গোডাউন ভরপুর কোরবানি নামে কিছু প্রাণী ঠিক এ ভাবেই মানুষের শরীরে মাত্রার বাইরে এন্টিবায়োটিক ঢুকিয়ে দিয়ে দেশের মানুষের অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হতে যাচ্ছে কিন্তু আমরা দেখি কয়জনে।
বাজারে কসাইয়ের দোকানে অহরহ মাংস বিক্রি হচ্ছে কিন্তু এইসব প্রাণীদের মাংস বাজারে বিক্রি করার আগে কয়টি প্রাণীর পশু চিকিৎসকের বা সরকারী ছাড়পত্র আছে কিনা তা আমাদের কারুরই জানা নাই।
এখন থেকেই নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের উচিত হবে আমিষের প্রয়োজনে পশুর মাংস বিক্রি করার আগেই নির্দিষ্ট পশুর সরকারী বা সরকারী সংস্থার পশু চিকিৎসকের ছাড়পত্র থাকা আবশ্যক বিধায় প্রয়োজনে সঠিক নীতিমালা ও প্রয়োগ নিশ্চিত করা, কোরবানির আগেই প্রতিটি পশুর অনুরূপ সরকারী বা সরকারী সংস্থার পশু চিকিৎসকের ছাড়পত্র নিশ্চিত করা। কোরবানির নামে পশু সাদৃশ্য এন্টিবায়োটিকের গোডাউন ভরপুর এইসব প্রাণীদের মাংস থেকে জাতিকে নিরাপদে রাখা রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয় কি?
— মাহবুব আরিফ কিন্তু।

Please To Write An Article Sign-Up
error0
News Reporter

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *