মৃত্যুকূপ থেকে ফিরে আসা এক ফেসবুক বন্ধু!!!
ভিজিট করতে ক্লিক করুন!
ভিজিট করতে ক্লিক করুন!

তালিকায় থাকা এক মেয়ে ফেসবুক বন্ধু আমাকে হঠাৎ জিজ্ঞাসা করলো, আমি কেন ঢাকা শহরের ছিনতাই নিয়ে লিখছিনা .

” কারণ” জিজ্ঞাসা করতেই কয়েকটি ছবি পাঠালো . ছবিগুলো দেখে আমি স্তম্ভিত .

নাম প্রকাশ না করার শর্তে , শুধুমাত্র আঘাতের চিহ্নযুক্ত ছবিগুলো আমার স্ট্যাটাসে দেয়ার অনুমতি নিলাম তার কাছ থেকে .

ভয়ঙ্কর মৃত্যুকূপ থেকে অনেকটা দ্বিতীয়বার জীবন খুঁজে পেয়েছে মনে হলো .

ভয়ানক সে সময়ের বর্ণনা দিলো যা শুনে আমি হতবাক, নির্বাক .

মাথায় অনেকগুলো সেলাই দিতে হয়েছে . বুকে পায়ে অসংখ্য গভীর ক্ষতের চিহ্ন . এ যেনো হত্যার উদ্দ্যেশ্যে কাউকে চুড়ান্ত জখমের সর্বচ্চো চেষ্টা করা হয়েছে .

প্রায় ৩ মাস হাসপাতালে ব্যাথাময় কঠিন সময় পাড় করতে হয়েছে তাঁর .

রাজধানীর এমন চিত্রের মাঝে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলে আক্ষেপ করে আমাকে বিষয়টো নিয়ে লিখতে বললেন .

রাজধানীতে হাজারো মানুষের ভিড়ে এমন পাষণ্ড কান্ড করার মতো সাহস যারা পায় , তারা নিশ্চয় প্রশাসনের কাছ থেকে সে রকম নিশ্চয়তা পেয়েই করার সাহস পায় বলে মনে করি .

দুর্বৃত্তদের ধরে উপযুক্ত সাজা দিয়ে এমন জঘন্য কর্মকান্ডের সাহসের মূলোৎপাটন করা দরকার .

পুলিশ চাইলে এই ধরণের দুর্বৃত্তদের অনায়াসেই নিয়ন্ত্রণ ও সাজা নিশ্চিত করতে পারে .

আশা করি এমন ঘটনা আরো অন্য কারো সাথে ঘটার আগে এদের রুখে দিন .

আমার ফেসবুক বন্ধুটি সেদিন হয়তো মরেই যেতো. আমরা হয়তো ২ দিন তাঁর জন্য মন খারাপ আর চলমান রাহাজানির জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় করতাম . আবার ২ দিন পরেই ভুলে যেতাম .

এভাবে আর কতো ??

আসুন একটি লাগাতার সচেতনতার আন্দোলন গড়ে তুলি . সবাই একসাথে হলে যে কোনো অন্যায়কে প্রতিরোধ করা সম্ভব .

আমি বন্ধুটির আবেদনে সারা দিলাম লেখাটি লেখার মাধ্যমে . আপনিও অংশগ্রহণ করুন, লিখুন , শেয়ার করুন . জাগ্রত করুন সমাজের বিবেককে .

সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই , সবাই সামাজিক মাধ্যমে প্রতিরোধের স্লোগান তুলুন .

বাসযোগ্য রাজধানী গড়তে সবাই সোচ্চার হোন .

সাইফুর সাগর 
সাংবাদিক

Please To Write An Article Sign-Up
error0
News Reporter

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *