আমরা কি মুক,বধির, অন্ধ হয়ে গেলাম।।
ভিজিট করতে ক্লিক করুন!
ভিজিট করতে ক্লিক করুন!


গত তিন দিনের পত্রিকা আর টেলিভিশন খবর দেখে মনে হচ্ছে এখানে কি “ধর্ষনের ” প্রতিযোগিতা চলছে? এতো ভীতি হীন,এতো সাহস, আসে কোথা থেকে?
গত ১৬ তারিখ থেকে ১৯ তারিখ পত্রিকা থেকে প্রাপ্ত ধর্ষনের ঘটনা ঃ
★ কিশোর গন্জের করিম গন্জে পন্চম শ্রেনীর ছাত্রী ৫২ বছর বয়সীর দ্বারা ধর্ষনের শিকার।
★ বাগের হাটে সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষনের শিকার ৫০ বছর বয়সীর দ্বারা।
★ নারায়ন গন্জের আড়াই হাজারে ধর্ষনের শিকার স্কুল ছাত্রী।
★ রূপ গন্জে ধর্ষনের শিকার গার্মেন্টস কর্মী।
★ কুমিল্লার দেবীদ্বারে মসজিদের ইমামের কাছে ধর্ষনের শিকার ১৩ বছরের কিশোরী।
★ বরগুনায় অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষনের শিকার।
★ চট্টগ্রামে গার্মেন্টস কর্মী গণ ধর্ষনের শিকার
★টাঙ্গাইলে তিনমাস আটকে রেখে ধর্ষন।
★ নোয়াখালীর কবির হাটে মায়ের কাছ থেকে মেয়েকে ছিনিয়ে নেয়া।
★ ঝিনাইদহের শৈলকুপায় শিশুবলাৎকারের ঘটনা
★ রংপুরের পীর গাছায় চার বছরের শিশু ধর্ষনের শিকার।
★ নোয়াখালীর সেনবাগে শিশু ধর্ষনের শিকার।
★ গাজীপুরের কোনাবাড়িতে প্রেমে প্রত্যাখাত হয়ে কুপিয়ে হত্যাকরা।
এ ঘটনা গুলো শুধু মাত্র যে ঘটনাগুলো খবরের শিরোনাম হয়েছে সেগুলোই জানতে পারছি,আর যে সব ঘটনা আবডালে অন্তরালে ঢাকা পরে যাচ্ছে লোকলজ্জার ভয়ে প্রকাশিত হয়না সেগুলো বাদ দিলাম।
নুসরাতের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে যেখানে জনরোষে সারাদেশ ফুসেঁ উঠেছে।সারা দেশ ব্যাপি প্রতিবাদ, প্রতিরোধ চলছে সেখানে মানুষ এতোটা বিবেকহীন,অমানুষ হয় কি করে? ছোট্ট শিশু ২/৩/৪/৬/৭/১২/১৩ বছর বয়সী আমার বাচ্চাদের প্রতি ওদের নজর যায় কি করে।।
কিভাবে এ অবস্হা থেকে উত্তোরন?
প্রথমত এ সব ঘটনার প্রতিকারের জন্য দায়ী প্রথমত স্হানীয় পুলিশ, ও স্হানীয় প্রতিনিধিরা যারা রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া প্রতিটি ঘটনায় এদের নেতিবাচক প্রভাব সবাইকে এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে উৎসাহিত করছে।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোট বিভাগ থেকে দেয়াদিক নির্দেশনা মূলক আদেশের জন্য যে, মহিলা ম্যাজিষ্ট্রেট দ্বারা ২২ ধারা জবানবন্দি গ্রহন করানোর নির্দেশনা।

  • ঠিক একই ভাবে মহিলা ডাক্তার দ্বারা ডাক্তারী পরীক্ষা করানো,।
  • মহিলা স্পেশাল পি পি দ্বারা মামলা পরিচালনা করা।
  • নারী বান্ধব বিচারক/ সম্ভব হলে নারী বিচারক গনের দ্বারা বিচার পরিচালনা।
  • স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা তদন্তের জন্য আলাদা ইন্ভেষ্টিগেশন এজেন্সী গঠন,এবং দ্রুত সময়ের মধ্য তদন্ত রিপোর্ট প্রদান ও দ্রুত বিচারের আওতায় এনে মামলায় দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির মাধ্যমেই আমরা ধর্ষনের ভয়াল গ্রাস থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পেতে পারি।।

এডভোকেট জেসমিন সুলতানা , বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট .

Please To Write An Article Sign-Up
error0
News Reporter

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *