শ্রদ্ধাবোধে ফাটল ধরার বিভৎস অনুভূতি
ভিজিট করতে ক্লিক করুন!
ভিজিট করতে ক্লিক করুন!

আমরা তো অন্তর্যামী নই ভাই,, কি করে জানবো আগে আপনি কেমন? আর একথা তো সত্য, ঘরপোড়া কেউ সিদুঁরে মেঘ দেখলেও নাকি ভয় পায়। তো অনুরোধ করছি, গায়ে মেখে কিছু নেবেন না প্লিজ। আপনি/ আপনার মতো যারা আছেন তারা অবশ্যই নমস্য ❤ আপনাকে/ আপনাদেরকে আমি যেমন জানি, সারাজীবন ঠিক তেমনই জানতে চাই। অন্যকোনো রূপ দেখতে চাইনা প্লিজ। অন্যরূপ যে খুবই ভয়ংকর!!

ফেসবুকেও কিছু মানুষ চেনা যায় ভাই। কেউ কেউ রোমান্টিক খুচরা আলাপের জন্যও নক করে (Hi dear, Hi darling, luv u, তুমি খুব সুন্দর, তোমাকে দেখতে ইচ্ছা করছে, একদিন আসোনা!) ভাবতে অবাক লাগে অপরিচিত একজনকে অনুমতি ছাড়া কি করে তুমি বলতে পারে? এদের পারিবারিক শিক্ষা নিয়ে আমি সন্দিহান। রিপ্লাই দেয়ার মতো সাধ্য সত্যিই আমার নেই। আমি হতে পারি তার থেকে বয়সে ছোট,, কিন্তু আমারও একটা সামাজিক অবস্থান আছে। তবে হ্যা যিনি কন্যা জ্ঞানে, ছোটোবোন জ্ঞানে তুমি সম্বোধন করেন তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত হয়। আবার অনেকেই দিদি/ আপু সম্বোধন করেন, কেউ কেউ কোনো কাজের হেল্প চেয়ে…. তাদের প্রতি সত্যিই ভালোবাসা জাগ্রত হয়।

খুবই দুঃখজনক! যারা অনেকেই দেখা করতে চান তাদেরকে একটা সুযোগ করে দিলাম “বিজনেস মিটিং”। ভাবলাম সবাইকে নিয়ে ভালো কিছু করা যায় কিনা (আমিও আপনার কোনো উপকারে আসতে পারি অথবা আপনাকেও আমার কোনো উপকারে লাগতে পারে। মানুষের জন্যই তো মানুষ)। তো সেখানেও আপত্তি অনেকের,, আমার সাথে আলাদা দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ; সবার সাথে একসাথে নয়। তবেই বুঝেন এরা কি চায়?? তার যে চাহিদা সেই চাহিদা তো আমার নাই ভাই! আর একসাথে কাউকে নিয়ে চাঁদের দিকে তাকিয়ে থাকার সময়ও আমার নেই। নিজের প্রতিবেলা ঠিকমতো খাওয়ার সময়ও হয়না যেখানে😪

আরও একটা দুঃখজনক কাহিনি বলি, একদিন আমার কলেজের এক স্যার আমাকে ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট পাঠিয়েছে। আমি তো মহাখুশি! কারণ স্যারদের কথা খুব করে মনে পড়ে (কিছু এক্সট্রা অরডিনারি থাকায় স্যারদের কাছে একটু আলাদা ভ্যালু পেতাম বরাবরই)। যোগাযোগও নেই অনেক বছর। তো মহাখুশি নিয়েই কথা হলো ফেসবুকেই। স্যারের কুশলাদি জানলাম, অন্য স্যারদের কথাও জিজ্ঞেস করলাম। শিক্ষকদের বাবা মায়ের মতোই জানি তাই যেন অনেকটা প্রাণ ফিরে পেলাম। তো স্যারও আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, “আমি কি করি, কোথায় থাকি, জামাই কি করে” এসবকিছু। আমি বললাম, “স্যার আমরা ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী থাকি, ঢাকায় আসলে অবশ্যই বেড়াতে আসবেন আমাদের বাসায়।” তো বুঝতে পারলাম স্যারও বাসায় আসতে খুব আগ্রহী…. “তবে জামাই বাসায় থাকতে নয়। জামাই যখন বাসায় থাকবেনা তখন জানাবা”। আবার আমাদের দাম্পত্য জীবন কেমন কাটছে তাও জানতে চায়। কথাগুলো শুনে তখন ঘৃণায় মন ছেয়ে গেলো। আর কোনো রেসপন্স করতে পারলামনা…… কাউকে কোনোদিন বলিনি একথা। আজও বলতে ইচ্ছে করেনি তবুও না বলে পারছিনা। অগাধ শ্রদ্ধাবোধের জায়গায় ফাটল ধরলে সে অনুভূতি যে কতো কষ্টের তা চেপে রাখা যে আরো কষ্টের😥

Please To Write An Article Sign-Up
error0
News Reporter

1 thought on “শ্রদ্ধাবোধে ফাটল ধরার বিভৎস অনুভূতি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *